Read · 1 min
এস্ট্রোনমি এর বাংলা প্রতিশব্দটি হল জ্যোতির্বিদ্যা। এটি বিজ্ঞানের সবচাইতে প্রাচীনতম শাখা। যেখানে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান , গতি প্রকৃতি, গঠন ইত্যাদি সম্পর্কে বিজ্ঞান ভিত্তিক গাণিতিক আলোচনা করা হয়। কিন্তু দুখের বিষয় অনেকেই এস্ট্রোনমি আর astrology কে একসাথে মিলিয়ে ফেলে। astrology বা জ্যোতিষীবিদ্যা কোন বিজ্ঞান নয় বরং সেটা এক ধরনের অপবিজ্ঞান।
সেই সু প্রাচীনকাল থেকে যখন জ্ঞানের কোন শাখারই উদ্ভর ঘটে নি সেই যুগ থেকেও জ্যোতির্বিদ্যা চর্চা হয়ে আসছিল। খাদ্য আর আশ্রয়ের খানিকটা ব্যাবস্থা করে একাকী নিঃসঙ্গ রাতে আকাশের তারারা হত আমাদের সেই পূর্বপুরুষদের একমাত্র সঙ্গী। তখনও হয়ত এটি বিজ্ঞান রূপে প্রকাশ লাভ করে নি, শুধুই মিথ তৈরি হত তারাদের ঘিরে। এটি বিজ্ঞান রূপে প্রকাশ লাভ করে আরও পরে। এক পর্যায়ে মিশরীয়রা লক্ষ করতে থাকে আকাশের তারাদের সাথে আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের এক অদ্ভুত মিল রয়েছে। যা তাদের ফসল উৎপাদনে ও কৃষিকাজে সাহায্য করতে পারে। সেই থেকেই তারা গ্রহ নক্ষত্র সম্পর্কে জ্ঞান আহরণে আগ্রহ প্রকাশ করে। আর সেই আগ্রহ থেকেই ক্রমশ মিথ আর দেবতাদের আসনকে গ্রহ নক্ষত্রের চলনের কারণ থেকে সরিয়ে দিয়ে সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে বিজ্ঞান আর গণিত। বর্তমানে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটি সমৃদ্ধশীল শাখা।